মাথা ব্যাথা গায়েব ৩০ সেকেন্ডেই !

মাথা ব্যাথা গায়েব ৩০ সেকেন্ডেই !

মাথা ব্যাথা গায়েব ৩০ সেকেন্ডেই !

প্রায় সময়ই আমাদের অনেকেরই অসহ্য
মাথা ব্যাথা হয়। খুব যন্ত্রণাদায়ক এবং
অস্বস্তিকর এই ব্যাথা থেকে মুক্তি
পাওয়ার জন্য আমরা অনেক কিছু করি,
আবার অনেকেই নানা করণে টেনশনে
থাকি। এই খারাপ লাগার অনুভূতিগুলো
থেকে রেহাই পাওয়া তাৎক্ষণিক
ভাবে প্রয়োজন হয়।
ওষুধ খেলে এগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া
যায়, কিন্তু সেজন্য অনেক সময় লাগে।
তাই চটজলদি খুব সহজে যদি এই দুঃসহ
যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়,
তাও আবার কোনো ওষুধ ছাড়াই
তাহলে খুব ভালো হয়।
একটি পন্থায় আমরা মাত্র ৩০
সেকেন্ডেই এই ব্যাথা থেকে মুক্তি
পেতে পারি। আমরা অনেকেই জানি,
ব্যথা ও রোগ নিরাময় করার জন্য ব্যবহৃত
প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে
আকুথেরাপি। মানবদেহের রোগ নির্ণয়,
রোগ নিরাময় এবং রোগ প্রতিরোধ
বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন আকুথেরাপি।
শরীরে সুচের মতো চাপ প্রয়োগ করে
আকুথেরাপি দেওয়া হয়। কিন্তু ভাববার
কিছু নেই আপনার মাথাব্যথা আর টেনশন
থেকে মুক্তি পেতে মাথায় সুই
ফোটাতে হবে না। একটু বুদ্ধি খাটিয়ে
কিছু কাজ করলেই এটা সম্ভব।
মাত্র ৩০ সেকেন্ড বাম হাতের
পয়েন্টে ডান হাতের আঙ্গুল দিয়ে
ছবির মতো চাপ দিয়ে ধরে রাখুন। আর
মুহূর্তেই অনুভব করুন মাথাব্যথা কোথায়
পালিয়েছে, আর দুশ্চিন্তাও উধাও! এত
দ্রুত ফল অন্য কোন পদ্ধতিতে পাবেন না।

দ্রুত চুল বৃদ্ধির 7 টি সিক্রেট

দ্রুত চুল বৃদ্ধির 7 টি সিক্রেট

|• দ্রুত চুল বৃদ্ধির ৭ টি সিক্রেট যা একই সাথে চুলকে সুন্দর ও আকষনীয় করে •|•

১) নিয়মিত চুল কাটুনঃ
চুলের নিরবচ্ছিন্ন বৃদ্ধি নিশ্চত করতে নিয়ম করে চুলের আগা ট্রিম করুন। প্রতি দুই মাসে অন্তত
একবার চুলের আগা ছাঁটলে চুলের আগা ফাঁটেনা বা চুল ড্যামেজ ও হয়না। তাছাড়া চুলকে সুন্দর একটা সেপ
দিতে হলে নিয়মিত চুল কাটতে হবে।

২) নিয়মিত ব্রাশ করুনঃ
শুধুমাত্র চিরুনি দিয়ে চুল আচড়েলেই চলবেনা। প্রতিদিন অন্তত দশমিনিট চুলে ব্রাশ করুন।
এতে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুল মজবুত হয়।

৩) প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খানঃ
খাদ্যতালিকায় প্রচুর পরিমাণের প্রোটিন সমৃদ্ধ
খাবার যোগ করুন। ফল-মূল, শাক-সবজী,মাছ, মাংস দুধ ইত্যাদি খেলে প্রচুর পরিমানেকেরাটিন উৎপন্ন
হয় যা চুলের দ্রুতবৃদ্ধি নিশ্চতকরে।

৪) এলোভেরা হেয়ার প্যাকঃ
তিনটি এলোভেরা পাতার extract এর সাথে মধু
মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগন। ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া আরোও একটি প্যাক ট্রাই
করতে পারেন। টমেটো ব্লেন্ড করে তার সাথে এলোভেরার নির্জাস ও অলিভ ওয়েল
মিশিয়ে একটু গরম করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। আপনি চাইলে যতক্ষণ ইচ্ছা রাখতে পারেন।
দুটি হেয়ার প্যাকই চুল বৃদ্ধিতেভাল কাজ করে।

৫) বায়োটিনঃ
বায়োটিন পানিতে দ্রবনীয় এক প্রাকারের ভিটামিন B। চুল বৃদ্ধিতে বায়োটিনের ও ভূমিকা আছে তাই
এটাও ট্রাই করে দেখতে পারেন।

৬) নিয়মিত শ্যাম্পু করুনঃ
চুল পরিষ্কার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শ্যম্পু করুন। প্রথমে বোতল থেকে হাতের তালুতে শ্যম্পু ঢেলে একটু পানি দিয়ে ঘঁষে তারপর
চুলে লাগান। আংগুল দিয়ে মাথায় বিলি কেটে শ্যাম্পু করুন। তবে খেয়াল রাখবেন কখনোই চুলের গোড়ায় বা মাথার খুলিতে যেন কন্ডিশনার না লাগে কারন কন্ডিশনার ত্বকের জন্য খুব একটা ভালো না।

৭) পরিমিত ঘুমঃ
স্বাস্থ্যবান, দীর্ঘচুলের জন্য প্রয়োজন সুনিদ্রা।
কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্জীবনের জন্যপ্রতিদিন ৬
থেকে ৭ ঘন্টা ভালো করেঘুমতে হবে।

জবা ফুল তেলের সাথে চটকিয়ে মাথায় দিন পরে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

মোটা হওয়ার উপায়ঃ

এই পেজটি চালিয়ে আর কিছু নাইবা পাই তবুও প্রতিদিন ভক্তদের অসংখ্য অনুরোধ দেখে আমার পেজ চালানোর আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। এবারের আপনাদের অনুরোধ ছিল কি করে আপনারা মোটা হবেন। আসুন,কথা না বাড়িয়ে আমরা দেখি কিভাবে আপনি খুব সহজে মোটা এবং চিকন হতে পারেন।

ফিনফিনে পাতলা শরীর কারোই কাম্য নয়। দেখতেও মানানসই নয়। বেশী মোটা কিংবা শুকনা কোনোটাই ভাল নয়; মাঝামাঝি থাকাটাই মঙ্গলময়। স্বাস্থ্য প্রকৃতিগত ভাবে পাওয়া। চাইলেই যদি সব পাওয়া যেত তাহলে ইচ্ছেমত সবাই শরীরটাকে বদলে দিত, তবে হ্যা চর্চার মাধ্যমে সব অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। নিয়মিত অনুশীলন, চেষ্টা ধৈর্য আপনার চাওয়াকে পাওয়াতে পরিণত করবে। যারা খুব শুকনা তারা মোটা হওয়ার উপায়গুলো জেনে নিন।

✒ যদি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান এবং রাতের ঘুম ঠিক রাখেন তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি আপনার স্বাস্থ্য মোটা করতে পারবেন। না ঘুমাতে পারলে আপনার শরীর ক্যালরী ধরে রাখতে পারে না। রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করুন এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন।

✒ একটা নিদিষ্ট সময় ধরে খাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। সকালে প্রচুর পরিমাণে খেয়ে নিতে পারেন। হ্যাম বার্গার, ভাজা খাবার, চিকেন ব্রেস্ট খেলেও ক্ষতি নেই।

✒ সফ্ট ড্রিংকস্ এবং ফ্যাটি খাবার খেলে স্বাস্থ্য মোটা হয়। এতে হাই-ইন্সুলিন থাকে। ইন্সুলিন হরমোন তৈরি করে। যার সাহায্যে শরীরে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট জমে। যখন ফ্যাটি ফুডস্ খাবেন তখন পানি পান করুন; সফ্ট ড্রিংকস্ নয়। এমনকি ডায়েট সফ্ট ড্রিংকস্ও নয়। এটা খেলে আপনি ফ্যাটি ফুড খেতে পারবেন না।

✒ এনার্জি ফুড খেলেও আপনি মোটা হবেন। শরীরে যদি এনার্জি ফুড না থাকে তাহলে শরীরে শক্তিই থাকে না মোটা হওয়া তো দূরের কথা। আপনি কখনো ব্যাটারিতে ল্যাপটপ কম্পিউটার চালাতে পারবেন না যদি প্লাগ না দেন। শরীরও তার ব্যতিক্রম নয়।

✒ টেনশনমুক্ত থাকুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে ক্ষুধা বেড়ে যায় টেনশন দূরে করে।

✒ প্রচুর ফল খান। ফল পুষ্টিকর খাবার এতে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ফল এবং ফলের রস খান। ফলের তৈরি বিভিন্ন সিরাপ, কুবিথ, গাম, জ্যাম, জ্যালি খান এতে ফ্যাট আছে যা আপনার স্বাস্থ্য মোটা করবে।

✒ আপনি খুব দ্রুত মোটা হয়ে যাবেন। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না কিভাবে এত দ্রুত মোটা হওয়া সম্ভব।

সহজে ইংরেজি শিখার ১২ স্টেপ

সহজে ইংরেজি শিখার ১২ স্টেপ


আমরা ইংরেজি পত্রিকা পড়ে, সাব-টাইটেল ওয়ালা মুভি দেখে, কিংবা ইংলিশ মিডিয়ামের কারো সাথে টাঙ্কি মেরে ইংরেজি শিখার চেষ্টা করি। আবার ইংরেজি গান শুনে, পকেটে ডিকশনারি নিয়ে, এমনকি কোচিং সেন্টারেও ভর্তি হই। তবে ফ্রেন্ডদের সামনে ইংরেজিতে কথা বলতে গিয়ে শব্দ খুঁজে না পেয়ে, হাসির পাত্র হয়ে, ইংরেজি শিখার চেষ্টাকে চিরদিনের জন্য আনফ্রেন্ড করে দেই।
স্টেপ-০: কেনো শিখতে গিয়েও ব্যর্থ হই
পত্রিকা পড়ে, ইংরেজি শিখতে গিয়ে, এক লাইনের মধ্যে, চৌদ্দবার ডিকশনারিতে শব্দের অর্থ খুঁজতে হয়। তারপরেও পুরা সেন্টেন্সের মিনিং অর্ধেকও বুঝতে পারি না। এইভাবে ১৫-২০ মিনিট ইংরেজির অত্যাচার সহ্য করে টায়ার্ড হয়ে যাই। দুই দিন পরে ভুলে যাই, কি খবর পড়তেছিলাম, আর কেনোইবা ইংরেজি পত্রিকা পড়তেছিলাম।
ইংরেজি রেডিও বা অডিও শুনতে গেলেও একই সমস্যা হয়। শব্দের অর্থ জানি না। দুই একটা পরিচিত ওয়ার্ড শুনলে, মাথার মধ্যে- “কি জানি মিনিং, কি জানি মিনিং?” করতে থাকে। শব্দের অর্থ মনে করার চেষ্টা করতে করতে, অডিও কিন্তু বসে থাকে না। চিন্তা করার কারণে, অডিও এর দুই এক লাইন মিস হয়ে যায়। তারপর না পারি অডিও ঠিক মতো শুনতে। না পারি শব্দের মিনিং বুঝতে। ভিডিও বা সিনেমা দেখতে গেলে আরও বেশি বিপদ। এক সাথে তিনটা সমস্যা- না পারি সাব টাইটেল পড়ে ঠিকমতো মিনিং বুঝতে, না পারি উচ্চারণ শুনে নিজে নিজে উচ্চারণ ঠিক করতে, না পারি মিনিং বুঝতে। শেষপর্যন্ত মুভিটাও ভালোমতো দেখা হয় না, ইংরেজি শিখার অগ্রাহও ধরে রাখতে পারি না।
এইভাবে সপ্তাহ-খানেক চেষ্টা করার পরে মনে হয়- আমরা টায়ার্ড হয়ে যাই। টায়ার্ড হয়ে গেলে, মনে মনে ভাবি- একদিন রেস্ট নিয়ে আবার শুরু করবো। তবে আমাদের একদিন রেস্ট নিতে গেলে, দুই মাস শেষ হয়ে যায়, মাগার রেস্ট নিয়ে আবার শুরু করা হয় না।
তাই বিগিনার লেভেলে ইংরেজি শিখার জন্য দৈনিক ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় দিলেই হবে। সেটা একটানা না হইলেও চলবে। ধরেন, ক্লাসে যাওয়ার পথে, বাসে বা ঘুম থেকে উঠে, ৫ মিনিট করে ভেঙ্গে ভেঙ্গে সময় দিলেও হবে।
স্টেপ-১: 3W
শুনেন, ইংরেজি একটা সমুদ্র। দুই তিন মাসে এই সমুদ্র গিলে খাওয়া সম্ভব না। সো, পুরা সমুদ্র টার্গেট না করে, ছোট একটা অংশকে টার্গেট করতে হবে। সেই টার্গেট সেট করতে হবে তিনটা প্রশ্ন দিয়ে Why, What, When (3W)
Why: প্রথমেই বুঝতে হবে, আপনি কোনো ইংরেজি শিখতে চান?
=> হতে পারে- হায়ার স্টাডি করতে চান বা চাকরির ইন্টারভিউতে ভালো করতে চান , কিংবা বিদেশী ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেল করতে ইংরেজি শিখতে চান।
What: আপনি, ইংরেজির কি শিখতে চান?
=> হয়তো বলবেন- সব, বা স্পিকিং, বা লিসেনিং, বা দুইটাই। এগুলার কোনটাই গ্রহণযোগ্য উত্তর না। আরো স্পেসিফিক হতে হবে। আবারও জিজ্ঞেস করবেন, স্পিকিং এর কি? হয়তো বলবেন কিভাবে অফিসিয়াল কথাবার্তা। এটাও স্পেসিফিক না। অফিসে হাজারো রকমের কথাবার্তা বলতে হয়। আরো বেশি স্পেসিফিক হওয়া লাগবে। এমন স্পেসিফিক হওয়া লাগবে যেটা একদিন, দুইদিন, সর্বোচ্চ তিনদিনের মধ্যে শিখে ফেলা যায়। তার চাইতে বড় কোন টার্গেট নিলে, কোনদিনও করে উঠতে পারবেন না। তাই খুবই ছোট একটা টার্গেট নিতে হবে হবে। যেমন, “কিভাবে কাস্টমারকে ওয়েলকাম জানাতে হয়”। এইটা স্পেসিফিক হইছে। কারণ দুই-তিনদিনের মধ্যে এইটা শিখে ফেলা যাবে।
When: তারপর জিজ্ঞেস করতে হবে -কখন শিখতে চান?
=>সবসময় এই প্রশ্নের উত্তর হতে হবে- আজকেই, এক্ষুনি। এই মুহূর্তে। কখনোই কালকে বা পরের সপ্তাহে বলা যাবে না। তাইলে শুরু করাই হবে না। আপনি যেই গাধা মার্কা আছেন, সেই গাধা মার্কাই থেকে যাবেন।
স্টেপ-২: জাস্ট লিসেন
অনলাইনে বা ইউটিউবে সার্চ দিয়ে একটা অডিও বের করতে হবে। তিন মিনিটের অডিও। সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিটের হতে পারে। ভিডিও হলে, ভিডিও না দেখে, শুধু হেড-ফোন কানে দিয়ে শুনতে হবে। অটো রিপ্লে দিয়ে, কমপক্ষে ১০-১৫ বার শুনবেন। শুধু শুনবেন। চোখ বন্ধ করে রিলাক্স হয়ে একই জিনিস বারবার শুনবেন।
যদি খেলা দেখার সখ থাকে, ভিডিও বন্ধ করে শুধু কথা শুনবেন। তবে পুরা খেলার ধারাভাষ্য শুনা যাবে না। শুধু চার পাঁচ মিনিটের অংশ নিয়ে, একই জিনিস বারবার শুনতে হবে। কোন অভিনেতা বা মডেলের ক্রাশ খাইলে, তার সাক্ষাৎকার এর অডিও মোবাইলে নিয়ে হেড-ফোন দিয়ে বারবার শুনবেন। ইংরেজি খবর দেখলে ভিডিও বন্ধ করে শুধু অডিও শুনবেন।
মনে রাখবেন, আপনার উদ্দেশ্য লিসেনিং। ইংরেজি শুনা। বুঝা কিন্তু না। বুঝা পরে আসবে। আগে শুনতে হবে। জাস্ট শুনবেন। শুনতে গিয়ে একই সাথে ওয়ার্ড শিখা, উচ্চারণ শিখা, গ্রামার শিখা, সব করা যাবে না। বি ফোকাসড, ফোকাসড এন্ড ফোকাসড।
স্টেপ-৩: ডোন্ট ফোকাস অন ওয়ার্ড, জাস্ট লিসেন
বাচ্চারা কিভাবে কথা শিখে? তারা কিন্তু মিনিং জানে না। আব্বু কি জিনিস, আম্মু কি জিনিস বুঝে না। ডিকশনারি খুলেও মিনিং বের করার চেষ্টা করে না। বরং একই জিনিস বারবার শুনতে থাকে। এক দুই মাস শুনতে শুনতে নিজে নিজেই একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায়- এই লোকটা যখন আসে, তখন লোকটাই আব্বু আব্বু বলে। আবার ঐ মহিলাটা যখন আসে, তখন সে আম্মু, আম্মু বলে। এই শুনতে শুনতেই বাচ্চারা শিখে ফেলে। সো, আপনিও খালি শুনার চেষ্টা করবেন। শিখার চেষ্টা পরে দেখা যাবে।
বাংলায় কেউ কিছু বললে, কয়েকটা শব্দ শুনলেই আপনি ধরে ফেলতে পারেন, সে কি নিয়ে কথা বলতেছে। প্রত্যেকটা শব্দ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ডিকশনারিতে মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন না। একইভাবে ইংরেজি শুনার সময়, ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন না। কাগজ কলম নিয়ে ওয়ার্ড লিখতে যাবেন না। কোন শব্দ ইম্পরট্যান্ট হলে, সেটা বিভিন্ন ভিডিওতে বার বার ফিরে আসবে। বারবার ফিরে আসতে আসতে আপনিও বাচ্চাদের আব্বু আম্মু শিখার মতো করে, নিজের অজান্তেই শিখে ফেলবেন।
.
এই লিসেনিং চলবে এক মাস। ছয় সাতটা পাঁচ মিনিটের ভিডিও ১০-১৫ বার করে শুনবেন। আর একটাই কথা মনে রাখবেন- when you are listening …just listen …relax and don’t worry…don’t stop…you don’t have to understand every word …
স্টেপ -৪: তোতা পাখি
গত এক মাস যে অডিওগুলা শুনছিলেন, সেগুলা বার বার শুনতে শুনতে অনকেটা মুখস্থ হয়ে যাওয়ার কথা। যদিও পুরাপুরি মিনিং নাও জানতে পারেন। এখন সেই অডিওগুলা হেড-ফোন কানে দিয়ে, দরজা বন্ধ করে, অটো রিপ্লে দিয়ে, অডিও চলার সাথে সাথে, শুধু প্রথম সেন্টেন্সটা বলার চেষ্টা করবেন। বলতে না পারলে, অডিও থামানোর দরকার নাই। রিপ্লে হয়ে আবার যখন আসবে, তখন বলার চেষ্টা করবেন। প্রথম সেন্টেন্সটা এইভাবে তিনবার বলার চেষ্টা করবেন। প্রথম সেন্টেন্স প্রাকটিস হয়ে গেলে, পরের সেন্টেন্স বলার চেষ্টা করবেন। এইভাবে প্রথম পাঁচটা সেন্টেন্স প্রাকটিস হয়ে গেলে, আজকের জন্য খতম। কালকে আবার অডিও এর মাঝখানের পাঁচটা সেন্টেন্স ট্রাই করবেন। তারপরের দিন লাস্টের পাঁচটা সেন্টেন্স ট্রাই করবেন।
বাচ্চাদের শিখানোর সময়, তাদের কানের কাছে একই শব্দ বার বার বার বলতেই থাকে। বলতেই থাকে। শুনতে শুনতে বাচ্চাদের কান ঝালাফালা করে ফেললে, বাচ্চারা দুই-একটা শব্দ বলা শুরু করে। তারপর ভুল ভাল দুই-একটা সেন্টেন্স। আপনিও একইভাবে শুরু করবেন।
স্টেপ-৫: জাস্ট স্পিক
সপ্তাহের প্রথম তিনদিন যে অডিওটা, কানে হেড-ফোন লাগিয়ে, অডিও এর সাথে সাথে বলার চেষ্টা করছিলেন, সেটাই পরের তিনদিন একটা দুইটা সেন্টেন্স বলবেন। তবে এইবার কানের সাথে হেডফোন না লাগিয়ে বলবেন। নিজে নিজে বলার চেষ্টা করবেন। যখন বলবেন, তখন শুধু বলবেন। অডিও থেকে কি রকম শুনছিলেন, সেটার মতো উচ্চারণ হইছে কিনা, সেটার মতো গ্রামার হইসে কিনা, তার মতো স্পিড আসতেছে কিনা, চিন্তা করা যাবে না। ভুল, কি ঠিক হইছে, চিন্তা করতে যাবেন না। শুধু মুখ দিয়ে শব্দ বের করতে থাকবেন।
শুনেন, আপনি বাংলা বলার সময় গ্রামার ঠিক করে কথা বলেন না। উচ্চারণ সব ঠিক হয় না। আর কোন পিচ্চি বাচ্চা যদি বাংলা কোন শব্দ ধীরে ধীরে কিংবা ভুল উচ্চারণ করে, সেন্টেন্স ঠিক মতো বলতে না পারে, আমরা কিন্তু তার কথা বুঝে ফেলি। সে কি বলতে চাইছে, সেটা কিন্তু ধরে ফেলতে পারি। একইভাবে আপনি ইংরেজি প্রথম প্রথম শিখতেছেন। আপনি বাংলায় পাকনা হইলে, ইংরেজিতে কাঁচা। ইংরেজিতে একটা কাঁচা বাচ্চা। তাই আপনার উচ্চারণ ঠিক না হলে, গ্রামারে ভুল হইলে, থেমে থেমে বলে দিতে পারলেই, যে শুনতেছে সে বুঝে ফেলবে।
আর ইংরেজি প্রাকটিস করার জন্য, আরেকজন লাগবে এমন কোন কথা নেই। ইংরেজিতে ভালো এমন কাউকেও লাগবে না। আপনি নিজে নিজেই পারবেন।
Speak English fluently without thinking about the rules and logic.
স্টেপ-৬: একসাথে
এই যে লিসেনিং এবং স্পিকিং এর স্টেপ চালাচ্ছিলেন, এই দুইটা স্টেপ কয়েকবার রিপিট করতে হবে। এবং ইংরেজি শিখাটাকে একটা অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। যত কিছুই হোক না কেনো, আপনার ভাত খাওয়া কিন্তু বাদ যায় না। সো, একইভাবে ইংরেজি শিখা বাদ দেয়া যাবে না। প্রয়োজন হলে, নিজেই নিজেকে শর্ত দিবেন। আগে ১৫ মিনিট ইংরেজি প্রাকটিস করে নেই, তারপর ভাত খাবো।
রিডিং, রাইটিং, ভুকাবুলারী, গ্রামার, প্রাকটিস করার উপায়সহ আরো কয়েকটা বিষয় নিয়ে পরের পর্বে কথা হবে।


বাংলাদেশে চাকরির ইন্টার্ভিউতে সবচাইতে জরুরী বিষয়গুলো কী?

বাংলাদেশে চাকরির ইন্টার্ভিউতে সবচাইতে জরুরী বিষয়গুলো কী?


প্রথমবার চাকরি খুঁজতে গিয়ে ভীষণ সমস্যায় পড়েন অনেকেই। লিখিত পরীক্ষা তো পার করলেন, কিন্তু কিছুতেই বুঝে উঠতে পারেন না ইন্টারভিউ বোর্ডে কী করা উচিৎ তার। কোন বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিলে ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনি সফল হতে পারবেন? কিংবা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চাকরী পেতে চাইলে ইন্টার্ভিউতে কোন বিষয়গুলোর দিকে জোর দেবেন? জেনে নিন আজকের এই ফিচারে।

একেক ধরণের পেশায় একেক ধরণের দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিছু পেশায় আপনার যোগাযোগের দক্ষতা জরুরী, কিছু পেশায় আপনার কম্পিউটারের ওপর দক্ষতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ইন্টারভিউ বোর্ডে কী ধরণের বৈশিষ্ট্য খোঁজা হয় এ বিষয়ে প্রিয়.কম থেকে যোগাযোগ করা হয় ট্রান্সকম ডিজিটাল এর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজার তাসলুনা শারমিন এর সাথে। তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন আমাদের।

১) প্রথমত, আপনি যে পদে কাজ করতে চাইছেন, সেই পদে কাজ করার আপনার কোন পূর্ব-অভিজ্ঞতা আছে কি না তা দেখা হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে সদ্য-পাশ করা ব্যক্তিদের নেওয়া হলেও বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অভিজ্ঞতাকে বেশি মূল্য দেওয়া হয়।
২) যথাযথ শিক্ষাগত যোগ্যতা যে কোনো পদের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে শিক্ষাগত যোগ্যতার ব্যাপারটি আপনার রিজুমে থেকে জেনে নিয়ে তারপরই আপনাকে ইন্টারভিউয়ে ডাকা হয়। কখনোই নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মিথ্যে লিখবেন না রিজুমেতে।
৩) যে পদের জন্য আপনাকে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়েছে, তা আপনি সুষ্ঠুভাবে করতে পারবেন কি না, তার জন্য দরকারি দক্ষতাগুলো আপনার আছে কি না এসব ইন্টার্ভিউ বোর্ডে দেখা হয়।
৪) ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রার্থীর সাথে বেশ কিছু বিষয়ে কথা বলা হয়। কিছু প্রশ্ন করা হতে পারে যার সাথে সেই পদে কাজ করার কোনো সম্পর্ক নেই বলেই মনে হয়। আসলে কিন্তু এসব প্রশ্ন করা হয়ে থাকে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে আপনি কেমন হবেন তা যাচাই করার জন্যই।
৫) ইন্টারভিউ বোর্ডে কথা বলতে বলতেই কৌশলে এমন কিছু প্রশ্ন করা হয়, যাতে সেই প্রার্থীর কোনো দুর্বলতা থাকলে তা ধরা পড়ে যায়। আপনি হয়তো জানেন সেই প্রতিষ্ঠানে কাজ করার জন্য আপনার যথেষ্ট দক্ষতা নেই। এর পরেও যদি সেই চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করেন তবে ইন্টারভিউ বোর্ডে এসেই আপনার সেই দুর্বলতা ধরা পড়ে যাবে। খুব সূক্ষ্মভাবে এই কাজটি করা হয় এবং এর মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের ছেঁকে বের করা হয়।
সুত্রঃ- প্রিয় ডট কম

নৌকা ও স্রোত সংক্রান্ত অংক করে ফেলুন মাত্র ২০ সেকেন্ডে!

নৌকা ও স্রোত সংক্রান্ত অংক করে ফেলুন মাত্র ২০ সেকেন্ডে!


অংক নিয়ে সবাই ভয় পায়। আর ভয় নয়, নৌকা স্রোত সংক্রান্ত অংক করুন সহজেই এবং বিভিন্ন টেকনিকে।
নিয়ম-১ : নৌকার গতি স্রোতের
অনুকূলে ঘন্টায় ১০ কি.মি. এবং
স্রোতের প্রতিকূলে ২ কি.মি.।
স্রোতের বেগ কত?
.
1_technique :::স্রোতের বেগ =
(স্রোতের অনুকূলে
নৌকার বেগ – স্রোতের প্রতিকূলে
নৌকার বেগ) /২
= (১০ – ২)/২
= ৪ কি.মি.
.========================
নিয়ম-২: একটি নৌকা স্রোতের
অনুকূলে ঘন্টায় ৮ কি.মি.
এবং স্রোতের প্রতিকূলে ঘন্টায় ৪
কি.মি. যায়। নৌকার
বেগ কত?
.
2_technique ::::নৌকার বেগ =
(স্রোতের অনুকূলে নৌকার
বেগ+স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার
বেগ)/২
= (৮ + ৪)/২
= ৬ কি.মি.
=================.
নিয়ম-৩ : নৌকা ও স্রোতের বেগ
ঘন্টায় যথাক্রমে ১০ কি.মি. ও ৫
কি.মি.। নদীপথে ৪৫ কি.মি. পথ
একবার যেয়ে ফিরে আসতে কত সময়
লাগবে?
.
উত্তর : স্রোতের অনুকূলে
নৌকারবেগ = (১০+৫) = ১৫
কি.মি. স্রোতের প্রতিকূলে
নৌকার বেগ = (১০-৫) = ৫ কি.মি.
3_technique ::: মোট সময় = [(মোট
দূরত্ব/ অনুকূলে বেগ) +
(মোট দূরত্ব/প্রতিকূলে বেগ)] = [(৪৫/১৫) + (৪৫/৫)] = ৩ + ৯
= ১২ ঘন্টা
. =================
নিয়ম-৪: একজন মাঝি স্রোতের
অনুকূলে ২ ঘন্টায় ৫
কি.মি. যায় এবং ৪ ঘন্টায় প্রথম
অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট
ভ্রমণে প্রতি ঘন্টায় গড় বেগ কত?
.
উত্তর:
4_technique :::গড় গতিবেগ = (মোট
দূরত্ব/মোট সময়)
= (৫+৫)/(২+৪)
= ৫/৩ মাইল
.=====================
নিয়ম-৫: এক ব্যক্তি স্রোতের
অনুকূলে নৌকা বেয়ে ঘন্টায় ১০
কি.মি. বেগে চলে কোন স্থানে
গেলএবং ঘন্টায় ৬ কি.মি. বেগে
স্রোতের প্রতিকূলে চলে
যাত্রারম্ভের স্থানে ফিরে এল।
যাতায়াতে তার গড় গতিবেগ কত ?
.
5_technique :::গড় গতিবেগ
= 2mn/(m+n)
= (২ x ১০ x ৬)/(১০+৬)
= ১৫/২ কি.মি

ব্যায়াম না করেও থাকুন ফিট!

ব্যায়াম না করেও থাকুন ফিট!


এই পদক্ষেপগুলো ব্যায়াম না করেও ফিট থাকতে সাহায্য করবে আপনাকে। ছবি : ডক্টরজ
ফিট থাকার জন্য অনেকেই ব্যায়াম করেন। আবার অনেকেই ব্যায়াম করতে চাইলেও সময়ের অভাবে এই কাজটি করে উঠতে পারেন না। তাহলে কি তাঁরা ফিট থাকবেন না? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন জীবনযাপনের কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো মেনে চললে ব্যায়াম না করেও ফিট থাকা সম্ভব। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে ব্যায়াম না করেও ফিট থাকার এই বিষয়গুলোর কথা।
• ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খান। এর ফলে ভালোমতো খাবার হজম হবে। এই পদ্ধতিতে খেলে পেটের মেদ সীমিত আকারে বাড়বে।
• শরীরকে ফিট রাখতে কোনোভাবেই সকালের নাশতা বাদ দেবেন না। এটি সারা দিন শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে কাজে দেবে।
• অফিসে যাওয়ার জন্য আপনি যেই সময়ে ঘুম থেকে ওঠেন তার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠুন। নিজের জন্য কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার রান্না করুন এবং সেগুলো খান। পাশাপাশি সারা দিন অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন।
• যদি অফিস দ্বিতীয় বা তৃতীয় তলায় হয়, তবে লিফট এড়িয়ে পায়ে হেঁটে ওঠা-নামার চেষ্টা করুন। শুরুর দিকে এটা কষ্টের মনে হলেও একসময় শরীরে সয়ে যাবে।
• ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো কিনতে বা তরিতরকারি কিনতে নিজেই বাজারে যান। এতে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো কেনাও হবে, আর কিছুটা হাঁটার কাজও হবে।
• শরীরকে ফিট রাখতে মনকেও ফিট রাখা জরুরি। তাই মানসিক চাপ দূর করা প্রয়োজন। কেননা মানসিক চাপ দূর করলে স্বাস্থ্য অনেকটাই ভালো থাকে। মানসিক চাপ দূর করার জন্য কিছু পছন্দের কাজ নিয়মিত করুন। গান শোনা বা বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
• অতীতের বিষয় নিয়ে বেশি ভাববেন না। এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি চিন্তা করবেন না। বর্তমানের ওপর বেশি জোর দেওয়ার চেষ্টা করুন। এটাও শরীর ও মনকে ফিট রাখার একটি মূল্যবান সূত্র।
• বই পড়ার জন্য বা গান শোনার জন্য ঘরের একটি ছোট কর্নারকে ঠিক করতে পারেন। কর্নারটিকে এমনভাবে সাজান যেন সেখানে অন্তত এক ঘণ্টা সময় কাটাতে পারেন। এই পদক্ষেপগুলো ব্যায়াম না করেও ফিট থাকতে সাহায্য করবে আপনাকে।


 
Copyright © 2015. BDAHOBAN
Blogger Templates